এডিএম আব্দুস সালাম জানান, ‘দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) চলমান একটি দুর্নীতি মামলার কারণে দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদের দেওয়া এক চিঠির ভিত্তিতে ডিআইজি মিজানের লাইসেন্স স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। ১৯৯৮ সালে মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে চাকরি করার সময়ে মাগুরা জেলা প্রশাসন থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেন মিজানুর রহমান।’
৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ২৫ জুন ডিআইজি মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। দ্বিতীয় বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আছে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে। এছাড়া পুলিশের নিয়োগ ও বদলিতে ভূমিকা রাখা, গ্রেফতার ও মামলা দিয়ে হয়রানি করে টাকা আদায়ের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। গত ১ জুলাই ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে দুদকের মামলা মামলায় আদালতে গ্রেফতার দেখানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।
আরও পড়ুন-
ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত
ডিআইজি মিজানের জামিন নামঞ্জুর