সোহাগীর কাকাতো ভাই লিপু বলেন, ‘সকালে দিদি ও জামাই বাবুকে ডাকাডাকি করা হয়। তারা সাড়া না দেওয়ায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে জামাই বাবুকে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় এবং দিদিকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।’
স্থানীয় চৌরঙ্গী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. স্বপন হোসেন বলেন, ‘তিন মাস আগে এই দম্পতির বিয়ে হয়। বিয়ের পর দুর্গাপূজায় কুমারখালীতে বেড়াতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার তারা রাতের খাবার খেয়ে ঘরে ঘুমাতে যান। সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঘরের দরজা না খোলায় পরিবারের লোকজন ডাকাডাকি করেন, কিন্তু তারা কোনও সাড়া দিচ্ছিলেন না। পরে পরিবারের লোকজন পুলিশ ক্যাম্পে জানালে ঘরের দরজা ভেঙে দিপুল কুমারকে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং সোহাগীকে খাটের ওপর থেকে উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হামপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘নব দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। আশা করি, খুব শিগগিরই মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে পারবো।’