কাভার্ড ভ্যানে রাখা সিলিন্ডারের গ্যাস দিয়ে এলপিজি ফিলিং স্টেশন!

কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে রাখা এলপিজি সিলিন্ডার

কাভার্ড ভ্যানে সিলিন্ডার ভর্তি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) রেখে তা ফিলিং স্টেশন নাম দিয়ে বিক্রির অভিযোগে এর মালিক মোহাম্মদ আজাদকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের হানিফ চেয়ারম্যান বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই অবৈধ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

শনিবার (২৬ অক্টোবর) নোয়াখালী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ জাকারিয়া এ আদালত পরিচালনা করেন।

কাভার্ড ভ্যান থেকে পাইপ দিয়ে টেনে আনা হয় গ্যাস

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, সদর উপজেলার সোনাপুর-রামগতি সড়কের হানিফ চেয়ারম্যান বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যানে সিলিন্ডার ভর্তি ভ্রাম্যমাণ এলপিজি ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করছিল মোহাম্মদ আজাদ নামের এক ব্যক্তি। সম্পূর্ণ অবৈধ এই ফিলিং স্টেশনটি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে গ্যাস বিক্রি করায় এতে ওই বাজারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটারও আশঙ্কা ছিল। এ কারণে আজ সেখানে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ গ্যাস আইন-২০১০ এর ১৩ ধারায় এলপিজি ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অভিযুক্ত মোহাম্মদ  আজাদকে জরিমানা করা হয়। এ সময় সিলিন্ডার ভর্তি কাভার্ডভ্যানসহ অন্যান্য মালামাল জব্দ করে নিয়ে আসা হয়।

কাভার্ড ভ্যান থেকে পাইপে গ্যাস টেনে এনে ডিসপেন্সার মেশিনের মাধ্যমে তা বিপজ্জনকভাবে বিক্রি করা হচ্ছিল 

তিনি আরও জানান, এ ধরনের যত অবৈধ ভ্রাম্যমাণ গ্যাস ফিলিং স্টেশন আছে সবগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন বাখরাবাদ গ্যাস নোয়াখালী কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী ছগীর আহমেদ ও জেলা আনসার বাহিনী।