শূন্য ঘোষণা হচ্ছে ফাঁসির আসামি কাউন্সিলর মাকসুদের পদ

মাকসুদ আলম

ফেনী সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় ফাঁসির দণ্ড পাওয়ায় পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলমের পদ শূন্য ঘোষণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সোনাগাজী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাঈনুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ফৌজদারি আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধির পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে তিনি নির্বাচন কমিশনে ওই পদটি শূন্য ঘোষণার সুপারিশ করেন।

সোনাগাজী পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে আমরা লিখিতভাবে বিষয়টি অবহিত করেছি।

জানা যায়, নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার পর মামলার এজহারভুক্ত আসামি কাউন্সিলর মাকসুদ আলম পালিয়ে যান। পরে ১১ এপ্রিল রাজধানীর একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ এই হত্যা মামলার রায়ে কাউন্সিলর মাকসুদ আলমসহ ১৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, মাকসুদুল আলম পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ১০ হাজার টাকা অর্থ জোগান ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেছেন।

উল্লেখ্য, মাকসুদুল আলম ২০১৭ সালের ২০ মার্চ সোনাগাজী পৌরসভা নির্বাচন ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক পদে দায়িত্ব নেন। তার কোনও সন্তান সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় না পড়লেও না পড়লেও অধ্যক্ষ সিরাজের সঙ্গে যোগসাজশে অভিভাবক সদস্য পদটি তিনি দখল করেন নেন।