স্বপ্না জানায়, প্রতিদিনের মতো রবিবার (৩ নভেম্বর) বিকালে ওই ভবনে শিক্ষক সোনিয়া বেগমের কাছে তার সঙ্গে ওয়াজেদ ও শোয়েব আরবি পড়ছিল। তখন হঠাৎ শিক্ষক তাদের বলেন, ভবনটি কাঁপছে। এ কথা শোনার পরপরই তারা তিনজন পড়া রেখে উঠে দাঁড়ায়। এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভবনটি বিকট শব্দে ধসে পড়ে। তারা পানিতে তলিয়ে যায়। পরে অন্যরা কোনোমতে পানি থেকে উপরে উঠতে পারলেও ওয়াজেদ পারেনি। স্বপ্নাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। প্রায় দুই ঘণ্টা চিকিৎসার পর সে সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে। সেখান থেকে রাত ১০টায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসে। স্বপ্না ফায়ার সার্ভিসকে আরবি পড়ার রুমটি দেখিয়ে দেয়।
স্বপ্নার বাবার নাম মান্নান মিয়া। তারা ওই ভবন থেকে একটু দূরে আরেকটি ভবনে ভাড়া থাকে। স্বপ্না বেপারিপাড়া এলাকার সানরাইজ কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
আরেফিন আহমেদ জানান, নিখোঁজ ওয়াজেদকে না পাওয়া পর্যন্ত এই উদ্ধার অভিযান চলবে।
প্রসঙ্গত, রবিবার (৩ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের বাবুরাইল তাঁতিপাড়া এলাকার ওই চারতলা ভবনটি ধসে পড়ে। এ ঘটনায় শোয়েব আহমেদ নামে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে চারতলা ভবন ধসে নিহত ১, আহত ৫