সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, ডায়রিয়া ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন। ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স জানান, ডায়রিয়া ও আইসোলেশন ওয়ার্ডের বেড সংখ্যা ১২ হলেও সোমবার দুপুর পর্যন্ত ২৮ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ২৬ জনই শিশু।
এদিকে শীতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ডায়রিয়ার পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। এ রোগেও ভুক্তভোগী শিশুরাই বেশি। জেনারেল হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী সোমবার দুপুর পর্যন্ত ১৫ শিশু নিউমনিয়া আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাহিনুর রহমান সরদার জানান, শীত বেড়ে যাওয়ার কারণে ঠান্ডার প্রকোপে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
হাসপাতালটির শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আল-আমিন মাসুদ বলেন, ‘শীতে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের হার বেশি। এ সময় মায়েদের একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে।’ মায়েদের পরামর্শ দিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, ‘শিশুদের কুয়াশায় ঘরের বাইরে বের করা যাবে না। মেঝে বা ঠান্ডা স্থানে শিশুদের রাখা যাবে না। অবশ্যই গরম কাপড় পরাতে হবে।’
শিশুদের থাকার ঘরে মশার কয়েল জ্বালানো থেকে বিরত থাকার পরমর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এটি শিশুর ফুসফুসের ক্ষতির কারণ। এছাড়াও মায়েরা স্বর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। তা না হলে মায়ের ছোঁয়ায় শিশুরাও এসব রোগে আক্রান্ত হতে পারে।’