হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মাসুম মোল্লা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালত মামলাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চুনারুঘাট থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।’
মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাতাসর গ্রামের শামীম আহমেদ মামুনের সঙ্গে তার ‘প্রেমের’ সম্পর্ক ছিল। তিনি শহরের রাজনগর এলাকার বাসিন্দা। সম্পর্ক সূত্রে মামুন তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করতো। গত মঙ্গলবার দুপুরে তারা সাতছড়িতে ঘুরতে যায়। এ সময় সেখানে অবস্থানরত মামুনের কয়েকজন সহযোগী মেয়েটিকে হত্যার ভয় দেখিয়ে উদ্যানের গহীন অরণ্যে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে মামুন তাকে ধর্ষণ করে। পরে মামুনের সহকারী ফজলুর রহমান (২৪), আলী হোসেন (২৫) ও জুনেদ লতিফ (২৭) পর্যায়ক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় আক্কাছ আলী দূর থেকে তাদের পাহাড়া দেয়। পরে আহত অবস্থায় তাকে সেখানে রেখেই ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে তিনি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ নিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক বলেন, ‘বিষয়টি আমি মৌখিকভাবে শুনেছি। আদালতের কাগজপত্র এখনও পাইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’