এর আগে, তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বিকাল ৪টায় দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেন।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জানান, আগামী রবিবার শুনানির জন্য তাজুলকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নিয়ে আসা হবে।
দুদক দিনাজপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবু হেনা মো. আশিকুর রহমান জানান, উদ্ধার করা টাকা ট্রেজারিতে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে দুদকের হটলাইন ১০৬-এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের অনুমোদনক্রমে দুদকের একটি দল পিআইও তাজুল ইসলামের কার্যালয় ও সরকারি বাসভবনে অভিযান চালায়। অভিযানকালে তার কার্যালয় থেকে ২৫ হাজার এবং সরকারি বাসার খাটের নিচ ও ময়লা-আবর্জনার পাশে রাখা চারটি ব্যাগ থেকে এক কোটি ৮৫ লাখ টাকা উদ্ধার করে দুদক। এই ঘটনায় তাজুল ইসলামকে আটক করেন দুদক কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে তাজুল বিভিন্ন প্রকল্প থেকে কমিশন হিসেবে এসব টাকা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঘুষ, দুর্নীতির পৌনে দুই কোটি টাকা বিদেশে পাচার করতে চেয়েছিলেন তাজুল