ইউএনও জানান, কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় তিন জন করোনা রোগী থাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে কালীগঞ্জ পৌরসভার কাঁচাবাজার ও মাছ বাজারসহ সব দোকান বন্ধ থাকবে। ওষুধের দোকান, অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ ও খাবার সরবরাহের গাড়ি এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। তবে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নগুলোর বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী সময়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, কালীগঞ্জে করোনাভাইরাস শনাক্ত পাঁচ জনের মধ্যে একজন ১০ বছরের শিশু, তিনজন নারী ও একজন বৃদ্ধ রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন তুমলিয়া ইউনিয়নের সোম ইসাপুরা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা। দুজন নারায়ণগঞ্জ থেকে এসে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনশুরপুর গ্রামে, একজন ঢাকা থেকে এসে উত্তর ভাদার্ত্তী গ্রামে ও একজন নরসিংদী থেকে এসে বক্তারপুর ইউনিয়নের মাঝুখান গ্রামে অবস্থান করেন। তাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকার সন্দেহ হলে খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। রবিবার সন্ধ্যায় ওই পাঁচ জনের করোনাভাইরাসের পজিটিভ রিপোর্ট আসে। পরে তাৎক্ষণিকভাবেই তাদের ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া, তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। আক্রান্ত পাঁচ জনের পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বাড়ির আশেপাশে সতর্কতামূলক লাল নিশান টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।