কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভির হাসান জানান, করিমগঞ্জ হাসপাতালে যেহেতু চিকিৎসকদের মধ্যে করোনা পাওয়া যাচ্ছে। তাই সন্দেহ থেকে ওই নার্সের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়। এ নার্স করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এর আগে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তিনজন চিকিৎসক ও কিশোরগঞ্জ সদরে একজন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদিকে চিকিৎসক ও নার্সরা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, বুধবার যে ২৪ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য মহাখালীর ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ (আইপিএইচ) এ পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১১ জনের কোভিড-১৯ পজেটিভ এসেছে। এই ১১ জনের মধ্যে ইটনা উপজেলায় তিন জন, ভৈরব উপজেলার দুই জন, তাড়াইল উপজেলার দুই জন, কুলিয়ারচর উপজেলার দুই জন, পাকুন্দিয়া উপজেলার একজন ও কটিয়াদী উপজেলার একজন রয়েছেন।
সিভিল সার্জন আরও জানান, এ পর্যন্ত মোট ২৫২ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে মোট ৩৪ জনের করোনা পজেটিভ এবং বাকি ২১৮ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
উপজেলাওয়ারি করিমগঞ্জে সর্বোচ্চ ৮ জন, ভৈরবে ৫ জন, ইটনায় ৫ জন, কিশোরগঞ্জ সদরে ৪ জন, পাকুন্দিয়ায় ৩ জন, তাড়াইলে ৪ জন, কুলিয়ারচরে ৩ জন, কটিয়াদীতে একজন এবং হোসেনপুর উপজেলার একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।