নিহত ওই শিশুর নাম ইশরাত জাহান আয়রা। সে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রামের আতিকুল ইসলামের মেয়ে।
বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুস সালাম,বনপাড়া হাইওয়ে ওসি শফিকুল ইসলাম ও বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের মেডিক্যাল কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুস সালাম জানান,বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে বড়াইগ্রাম থানামোড়ে বাগাতিপাড়া থেকে ছেড়ে আসা একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে ঢাকা থেকে আসা অপর প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে দুই কারের আহত ছয়জনকে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন তারা।
এক প্রশ্নের জবাবে সালাম আরও জানান, আহত পাঁচ জনের মধ্যে ঢাকা থেকে আসা গাড়ির চালক পাবনার ঈশ্বরদী এলাকার ইকবাল হোসেন ছাড়া বাকি সবাই এক কারের। তারা হলেন শিশুর বাবা আতিকুল ইসলাম ,শিশুর মা জান্নাতুন নাঈমা মিতু(৩৫), কাজের মেয়ে সুরমা(৩৫), ও গাড়ি চালক আরিফুল(২৫)।
বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ জানান,হাসপাতালে ওই শিশুটি মৃত অবস্থায় এসেছিল। অপর পাঁচ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুইজনের জখম বেশি বলেও দাবি করেন তিনি।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি শফিকুল ইসলাম ও এসআই আব্দুল্লাহেল বাকী জানান, নিহতের নানার নাম নাছির উদ্দীন। তার বাড়ি বাগাতিপাড়া উপজেলার লক্ষণহাটী ইউনিয়নের বারোইপাড়া গ্রামে। আতিকুল আকিজ গ্রুপে চাকনি করেন ঢাকায়। নিহত শিশুই তাদের একমাত্র সন্তান। তারা বাগাতিপাড়া থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন। নিহতের মৃতদেহ নানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি গাড়ি দুটিও জব্দ করা হয়েছে। রাজশাহীতে আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন দাবি করে ওসি জানান এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।