করোনায় আক্রান্ত এবং উপসর্গ নিয়ে তিন জেলায় ৪ জন মারা গেছেন। এদের কেউ কেউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। কেউ কেউ বাড়িতে মারা গেছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে বিস্তারিত জানানো হলো।
মৌলভীবাজার
করোনা উপসর্গ নিয়ে মৌলভীবাজারে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের একজন মৌলভীবাজারে ও আরেকজন জন কুলাউড়ার।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক পার্থ সারথি দত্ত কাননগো জানান, রবিবার (২১ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ওই ব্যক্তি মারা যান। তিন দিন ধরে তিনি জ্বর ও ডায়রিয়ায় ভুগছিলেন। রবিবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
এদিকে, কুলাউড়া পৌর শহরের উছলাপাড়া বাসিন্দা (৭০) গত ১৬ জুন করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেট শহরের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে রিজিয়া পারভীন (৬০) নামে এক নারী মারা গেছেন। রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রিজিয়া মারা যান। তার বাসা কুষ্টিয়া শহরের কোর্টপাড়ায়।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ এস এম মুসা কবির জানান, শনিবার রাত ১টার দিকে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাকে ভর্তি করা হয়। ভর্তির সঙ্গে সঙ্গে তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। রবিবার দুপুরে তিনি মারা যান। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
ফরিদপুর
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কালীপদ ভৌমিক (৬৫) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। রবিবার বিকালে ভাঙ্গা পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিদাসদী মহল্লার নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। ১৫ জুন তার করোনা শনাক্ত হয়। কালীপদ ভাঙ্গা কোর্টপাড় এলাকার অনিল দাস মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের কারিগর ছিলেন।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা মোহসিন উদ্দিন ফকির বলেন, ১৩ জুন করোনা পরীক্ষার জন্য কলীপদের নমুনা নেওয়া হয়। ১৫ জুন রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর বাড়িতে থেকে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।