মারা যাওয়া অন্য দুজন হলেন– মহানগরীর বাগরামার সোহরাব শেখের ছেলে হারুন শেখ (৫৫) এবং রায়ের মহল এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে বাবু (৪৫)।
ডা. মিজানুর রহমান জানান, খালিশপুর এলাকার ফেরদৌসকে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার দিনগত রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে খুমেক হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ঘণ্টা পর রাত ১টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
এছাড়া জ্বর, কাশি নিয়ে হারুন শেখ বুধবার বিকাল ৪টা ২৫ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ ঘণ্টা পর রাত ১টা ২০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। অপর রোগী বাবু জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ২৩ জুন রাত ৮টা ১০ মিনিটে খুমেক হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে রেফার্ড করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩২ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
করোনা পরীক্ষার জন্য তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান আরএমও।