বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘাট রক্ষার জন্য কাজ শুরু করা হয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলে যতটা সম্ভব নদী ভাঙন রোধ করা হচ্ছে।’
এদিকে, ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে সবগুলো ফেরি চলতে পারছে না। তাছাড়া, ফেরি পারাপারে সময়ও বেশি লাগছে। এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজ নয়টি ফেরি চলাচল করছে। বাকি ফেরিগুলো চালানো সম্ভব হচ্ছে না।’
এদিকে, নদী পারাপারের জন্য ঘাট এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাকসহ যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. হিলালউদ্দিন জানান, এ মুহূর্তে ঘাটে পারাপারের জন্য একশর মতো গাড়ি আছে। ৩ নম্বর ঘাট বন্ধ থাকায় ১, ২ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি চলছে।