মৃত গৃহবধূর নাম সখিনা বেগম (৩৫)। তার বাড়ি জেলার গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ঘিয়াপুকুর মহল্লায়। তার স্বামীর নাম কামাল হোসেন। কামাল চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে থাকেন।
গ্রেফতার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশু, স্থানীয় বাসিন্দা আকবর আলী, মেরাজুল ইসলাম। ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মফিজুল ইসলাম। তার বাবার নাম আতাউর রহমান। প্রত্যেকের বাড়ি ঘিয়াপুকুর মহল্লায়।
জানা গেছে, বুধবার দিবাগত রাতে মফিজুল ইসলাম দুই সন্তানের মা সখিনা বেগমের ঘরে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশী আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম ধর্ষক মফিজুলকে আটক করে কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশুর কাছে নিয়ে যান। তবে কাউন্সিলর রাতেই মফিজুলকে ছেড়ে দেন। এরপর ক্ষোভে রাতেই ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবদুল লতিফ বলেন, ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশকে না জানিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার কারণে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। সে কারণে পৌর কাউন্সিলরসহ তিন জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আবদুল লতিফ জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণ ও তার আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। এই মামলায় কারাগারে পাঠানো তিন জনসহ মোট চার জনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি অভিযুক্ত মফিজুল। সে পলাতক, তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।