মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভারতের হিলির সিএন্ডএফ এজেন্ট শংকর দাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিতে পারে এমন কথা শোনা যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কাস্টমসের ও সরকারি কোনও নির্দেশনা আমরা পাইনি। তবে অনুমতি হতে পারে। তবে না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না কি হতে পারে। কারণ, এর আগেরবার যখন বন্ধ করে দিলো, তখনও এমন শোনা যাচ্ছিলো অনুমতি দেবে। কিন্তু সর্বশেষ কোনও অনুমতি মেলেনি।'
হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মঙ্গলবার রাতে ভারতীয় রফতানিকারকরা আমাদের জানিয়েছেন, বুধবার থেকে আগের টেন্ডারকৃত পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিতে পারে ভারত সরকার। যার ফলে বাংলাদেশে পেঁয়াজ ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে গত রবিবার যেসব এলসির বিপরীতে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে, সেগুলোর পেঁয়াজ রফতানি হতে পারে বলে তারা আমাদের মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে এ সংক্রান্ত কোনও সরকারি নির্দেশনা এখনও তারা পাননি। কিন্তু নির্দেশনা আসবে বলেও তারা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সোমবার ও মঙ্গলবার যেসব এলসির বিপরীতে টেন্ডার হয়েছে, তার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে তারা জানিয়েছেন।
পেঁয়াজ ঢুকলে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকদের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া দুইশ' টনের মতো দেশে ঢুকতে পারে।