এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামানসহ পুলিশের একটি বিশেষ টিম। তবে কি কারণে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে পুলিশ তা জানাতে না পারলেও দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, স্থানীয় বালাইশপুর দেওয়ান বাড়ির সৌদি প্রবাসী নবী উল্লাহর স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও তার স্কুল পড়ুয়া (তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী) মেয়ে বাড়িতেই থাকেন। হঠাৎ ওই বাড়িতে চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মা মরিয়মের বাম হাতের চারটি আঙুল পড়ে গেছে, ডান হাতও মারাত্মক জখম হয়। তার মেয়ের মাথার পেছনের অংশে একাধিক কোপের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ মাহমুদ জানান, মা ও মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় এবং অঙ্গহানি হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জান বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। হামলার কারণ ও জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।