বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র সহকরী পুলিশ কমিশনার অমূল কুমার চৌধুরী (প্রসিকিউশন)। তিনি বলেন, আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সূত্র জানায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে সাইফুর রহমানের দখলে থাকা কক্ষ থেকে পুলিশ একটি পাইপগান, চারটি রামদা, দুটি চাপাতি ও একটি ছোরা উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে ঘুরতে আসা এক দম্পতিকে আটক করে জোর করে ছাত্রাবাসে তুলে আনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর স্বামীকে বেঁধে মারধর করে ওই তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে সাইফুরসহ অন্যরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী ওইদিন (শুক্রবার) রাতে বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় এজাহার নামীয় আসামি করা হয়েছে ছয় জনকে। সেই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিন জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলো এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র। ২৭ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে সাইফুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: প্রধান আসামি সাইফুর গ্রেফতার
গ্রেফতার এড়াতে দাড়ি কেটে ফেলে সাইফুর, ভারতে পালাতে চেয়েছিল অর্জুন
প্রশ্নবিদ্ধ এমসি কলেজের তদন্ত কমিটি, বহাল তবিয়তে হোস্টেল সুপার
আমরা কোনও অপরাধ করি নাই, ঘটিয়েছে ওরা তিন জন: আদালতে সাইফুর ও অর্জুন
এমসি কলেজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই: তদন্ত কমিটি
চুল-দাড়ি কেটেও পার পেলো না ধর্ষণে অভিযুক্ত তারেক!