বহিষ্কার গোলজার বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে ও জোনাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
বুধবার পাবনার চাটমোহর থানার হরিপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের এক ইরাক প্রবাসীর স্ত্রীর দায়ের করা ধর্ষণ, টাকা আত্মসাৎ ও ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্বামীকে মারপিটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় আ.লীগ তাকে ওই বহিষ্কার করে।
বড়াইগ্রাম উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মিয়াজী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বড়াইগ্রামের জোনাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুস সোবাহান হারেজ ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বহিষ্কারেদেশ বিষয়টি জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি-সম্পাদক উল্লেখ করেন, ‘ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. গোলজার হোসেনের নামে গত বুধবার চাটমোহর থানায় হরিপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী বাদী হয়ে শ্লীতাহানির মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করলে চাটমোহর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। আটকের পরে তাকে জোনাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, ওই গৃহবধূ মামলায় ধর্ষণ, টাকা ধার নিয়ে না দেওয়া ও টাকা চাইলে তার স্বামীকে মারপিটের অভিযোগ করেছেন।
মামলার আইও এসআই প্রদীপ কুমার জানান,গ্রেপ্তারের পর হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বড়াইগ্রাম উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মিয়াজী দাবি করেন, তাৎক্ষণিকভাবে লোকমুখে শ্লীলতাহানির মামলা হয়েছে বলে জানা যায়। তাই বহিষ্কারের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওই শ্লীলতাহানি শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে। মামলায় দোষী প্রমাণ হলে গোলজারকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে বলে জানান তিনি।