দুই জেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীসহ ৩ জনের মৃত্যু

ট্রেনে-কাটা-পড়ে-মৃত্যু

নাটোর ও নওগাঁ জেলার তিনটি ভিন্ন স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারীসহ তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনটি ঘটনাই ঘটে রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে।

নাটোরে ঘটনা দুটি ঘটে সদর ও লালপুর উপজেলায়। নাটোর রেলস্টেশন মাস্টার অশোক চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত জুয়েল (৩০) সদর উপজেলার আমহাটী এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে ও আসকান শেখ (৫৫) লালপুর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের মৃত আবেদ আলী ছেলে।

তিনি জানান, সদর উপজেলায় রবিবার দুপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান জুয়েল (৩০) নামের এক যুবক। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জুয়েল পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকদিন থেকে  মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে বের হযন। এক পর্যায়ে আমহাটী এলাকায় রেলক্রসিংয়ের পাশে বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়।  ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

লালপুর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, লালপুরে আসকান নামে আরেক ব্যক্তি ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি জানান, বেশ কিছুদিন থেকেই আসকান মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে সে বাওড়া ব্রিজ এলাকায় নীল সাগর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, নওগাঁর আত্রাইয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে রাহেলা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাহেলা উপজেলার কয়শা গ্রামের বাসিন্দা।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, স্থানীয়রা জানান, রাহেলা বেগম উপজেলার শাহাগোলা এলাকায় ট্রেন লাইনের ওপর দিয়ে হাঁটছিলেন। এসময় পেছন থেকে আসা ট্রেনের শব্দ শুনতে পাননি তিনি। অথবা শুনলেও লাইন ছেড়ে নামেননি। ট্রেনটি তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে জিআরপি থানা পুলিশ।