রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করায় সহযোগিতা, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য কারাগারে

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন ও নাগরিক সনদ দিয়ে ৩ রোহিঙ্গা যুবকের পাসপোর্ট গ্রহণের ঘটনার মামলায় ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল হাকিমকে (৪৩) পুলিশ। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) নোয়াখালীর বিচারিক আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

তিন রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ আবদুল আজিজ কক্সবাজারের উখিয়ার হাকিমপাড়া শরণার্থী শিবির থেকে এসে সেনবাগের কাদরা ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদপত্র দিয়ে ওয়ার্ডের নজরপুর ও নিজ সেনবাগ গ্রামের ঠিকানা ব্যবহার করে নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর পাসপোর্ট সংগ্রহ করে।

এরপর ওই তিন রোহিঙ্গা যুবক চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে ঘটনাটি নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

আকবর শাহ থানার এসআই আশাদুল ইসলাম বাদী হয়ে চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানায় মামলা করে। ওই মামলা আদালত কর্তৃক জিআর মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হলে ওই গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সেনবাগ থানা পুলিশ আবদুল হাকিমকে গ্রেফতার করে নোয়াখালী বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে।

৪নং কাদরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুজ্জান বলেন, আটক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য  আবদুল হাকিম তার আত্মীয় সাবের হোসেনের যোগসাজশে ৩ রোহিঙ্গাকে জন্ম নিবন্ধন সনদ ও নাগরিকত্ব সনদ প্রদানে সহযোগিতা করেন। এ ঘটনায় ২০১৯ সালে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যসহ ওই সিন্ডিকেটের কয়েকজনকে আসামি করে চট্টগ্রাম আকবর শাহ থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার আলোকে সেনবাগ থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল বাতেন মৃধা বলেন, গভীর রাতে তাকে উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নিজ বসত বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।