এক মুলার ওজন ৮ কেজি

রাজশাহীর বাঘায় অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক হাফিজুর রহমান ওরফে বুল্লা’র জমিতে আট কেজি ৫৭ গ্রাম ওজনের একটি মুলা পাওয়া গেছে। শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কলেজ শিক্ষক তার জমি থেকে মুলাটি তুলে নিয়ে এসে ওজন করেন। মুলার খবর শুনে এটি দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় করতে থাকে।

উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের সোনাদহ গ্রামের হাফিজুর রহমান বুল্লা শখের বসে বাড়ির পাশে নিজ জমিতে কিছু মুলার চাষ করেন। অন্যগুলো তুলে খেয়ে নিলেও এই মুলাটি বড় হচ্ছে দেখে তিনি আলাদাভাবে পরিচর্যা করেন। অবশেষে আজ শনিবার সকালে জমি থেকে উঠিয়ে ওজন দিয়ে দেখেন এর ওজন হয়েছে এর কেজি ৫৭ গ্রাম।হাফিজুর রহমানের জমিতে জন্ম নেওয়া আট কেজি ওজনের মুলা

হাফিজুর রহমাম বুল্লা আড়ানী ডিগ্রি কলেজের মনোবিজ্ঞান বিষয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে সোনাহদ গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন ওরফে খেড়ু বলেন, হাফিজুর রহমান গত বছরও মুলার আবাদ করেছিলেন। সেবার একটি মুলার ওজন হয়েছিল প্রায় ৯ কেজি।

হাফিজুর রহমান বলেন, আমি ছোট থেকে নিজের জমিতে অন্যান্য সবজির আবাদ করি। এগুলোর সঙ্গে মুলার আবাদ করা হয়। গত বছর থেকে বাড়ি পাশে মুলার আবাদ শেষে জমিতে একটি/দুইটি রেখে বিশেষভাবে যত্ন নিয়েছিলাম। এতো বড় আকারের মুলা হতে পারে এটা আমার জানা ছিল না। তবে কোথাও কৃষি মেলা হলে সেখানে নিয়ে যেতাম। করোনার কারণে এবছর মেলা না হওয়ায় নিয়ে যেতে পারিনি। মেলায় নিয়ে মুলাটি দেখানোর খুব ইচ্ছা ছিল।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, মুলাটির বিষয়ে শুনেছি। বিশেষ পরিচর্যা নিলে ও জমির উর্বরতার বেশি থাকলে কোনও কোনও সময় এমন মুলা হতে পারে। আমি এই মুলাটি দেখতে যাব।