পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পার হচ্ছে দূরপাল্লার গাড়ি

সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঢাকামুখী এবং ঢাকাফেরত যাত্রী ও ছোট গাড়ির চাপ বেড়েছে। দূরপাল্লার গাড়ি চলাচলের ওপর কড়া বিধিনিষেধ থাকলেও রাতের বেলায় কিছু পরিবহন মালিক তাদের বাস চলাচল অব্যাহত রেখেছেন। ওইসব গাড়িতে অর্ধেক যাত্রী বহনের বিপরীতে রীতিমতো গাদাগাদি করে যাত্রী বহনের অভিযোগও রয়েছে। এ নৌরুটে দিনে পাঁচটি ফেরি এবং দিনরাত মিলে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সকালে পাটুরিয়া ঘাটে দেখা গেছে, দৌলতদিয়া থেকে ছেড়ে আসা বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান নামের ফেরিতে করে দক্ষিণ বঙ্গ থেকে আসা রোজিনা এন্টারপ্রাইজ ও এইচআর নামের দুটি দূরপাল্লার নৈশকোচ আনলোড হচ্ছে। ওই দুটি পরিবহনে মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী দেখা গেছে। এ সময় মোট ছয়টি দূরপাল্লার পরিবহন পারাপার হয়েছে। ফেরিতে দূরপাল্লার পরিবহন পারাপার নিষেধ থাকলেও পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া বুকিং কাউন্টারের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে এসব গাড়ি ফেরিতে উঠতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে।

BT-Newএ ব্যাপারে আরিচা এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল তো বন্ধ! তবে কীভাবে ফেরি পারাপার হলো বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।’ এখন থেকে দূরপাল্লার কোনও বাস বুকিং দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

এদিকে ফেরির পাশাপাশি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করেও যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন। ফেরির পন্টুনে ওইসব নৌকা ভিড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করা হচ্ছে।