এ বছর মোট ৮১ হাজার ৭২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
দুই বার নিরীক্ষণের পর ৬৪ হাজার ৯০২ জন থেকে পাস করা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ৫৯ জনে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ২৪০ জনে। এদের মধ্যে ফেল দেখানো ৯৫ শিক্ষার্থী ফল পুনর্মূল্যায়ণে পেয়েছেন জিপিএ-৫।
ফল ঘোষণার পর প্রথম দফা পুনর্নিরীক্ষণে এক হাজার ৯৯৪ শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেন।
প্রথম দফায় দুই পরীক্ষকের অসতর্কতার কারণে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ফল বিপর্যয় হয়। এ কারণে এক পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করলে তা নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরপর ফল পুনর্নিরীক্ষণে দেখা যায় ‘হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা’ বিষয়ে যে সেটে পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল, সেই সেটের পরিবর্তে অন্য সেটে পরীক্ষা নেওয়ায় এ বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।
ফল ঘোষণার পর তা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেন ৮ হাজার ৮০৯ জন পরীক্ষার্থী। এতে ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫ জন। কম জিপিএ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৫ জন।
এছাড়া ফেল থেকে এক হাজার ১৪১ পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। পাস করলেও পয়েন্ট বেড়েছে ৮৫৩ পরীক্ষার্থীর।
ঘোষিত ফলাফলে পাসের হার ছিল ৭৯.৪১ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩ হাজার ১১৩ জন।
বুধবার দ্বিতীয় দফার পুনর্নিরীক্ষণে ঘোষিত ফলে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংখ্যাও বেড়েছে। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে ১৭ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
দ্বিতীয় দফার পুনর্নিরীক্ষণের ফল বুধবার নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে শিক্ষাবোর্ড। সেখানে দেখা গেছে, এবার ফেল থেকে পাস করেছেন আরও ৫৩ শিক্ষার্থী। এছাড়া ১৬৩ পরীক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।
ভুলের কারণে দুই বার পুনর্নিরীক্ষণে ২ হাজার ১৫৭ পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। এতে পাসের হার বেড়েছে। কিন্তু কত বেড়েছে সেই হার বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানাতে পারেনি।
শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউল হক বলেন, পাসের হার বৃদ্ধির হিসেব এখনও করা হয়নি। পরে করা হবে।
পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ভুল হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, হাজার হাজার খাতা দেখতে একটু ভুল হয়। সেই ভুল সংশোধনের জন্য পুনর্নিরীক্ষণ। তবুও যারা ভুল করে তাদের পরবর্তী বছর পরীক্ষক করা হয় না বলে জানান বোর্ড চেয়ারম্যান জিয়াউল হক।
আরও পড়ুন:
রাজধানীতে ভাইবোনসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছিনতাই
আমি হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট, গুপ্তহত্যার সব তথ্য আমার কাছে আছে: প্রধানমন্ত্রী
/বিটি/টিএন/