খবর পেয়ে বিজিবি, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে- বরিশাল নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (ঘুড়ি প্রতীক) মজিবর রহমানের সঙ্গ কাউন্সিলর (ঠেলাগাড়ি) মারুফ আহম্মেদ জিয়ার কর্মীদের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে তাদের একটি দোকন ও চারটি বসতঘর ভাঙচুর করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান বাংলাট্রিবিউনকে বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরে পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ সেখানে যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে এই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে কাউন্সিলর মজিবর রহমান জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। কিন্তু কারা হামলা করেছে সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’