একমাস আগে রাজাপুর থেকে বিএনপির সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় গত একমাস কারাভোগের পর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তারা। ঝালকাঠি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া নেতাকর্মীদের আনতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারের সামনে যায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। এসময় পুলিশ জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বৃহস্পতিবার (০৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঝালকাঠির কারাগারের সামনে ছাড়াও আরও দুটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়।
পরে রাজাপুর ও ঝালকাঠির আঞ্চলিক মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। রাজাপুর যাওয়ার পথে জামিনে মুক্তি পাওয়া সাতজন ও তাদের সঙ্গে যাওয়া নেতাকর্মীদের পুলিশ বাধা দেয়। বেরপাশা ও ছত্রকান্দা এলাকায় দুই দফায় বাধার শিকার হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, পুলিশের তাদের হয়রানি করছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। মঠবাড়ি ইউনিয়ন থেকে দুইজন ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হকের ভাষ্য, ‘নিরীহ ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে হয়রানি করেছে পুলিশ। আমরা তাদের কিছু বলিনি, তারা আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মীর গায়ে হাত তুলেছে। রাতে আবার দুজনকে গ্রেফতার করেছে।’
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ওসি মো. জাহিদ হোসেনের দাবি, ‘পুলিশ নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন স্থানে চেকপেস্টা বসিয়েছিল। এতে কাউকে হয়রানি করা হয়নি। পুলিশের নিয়মিত মামলার দুইজন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে।’