আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এমপি রিমনের বিরুদ্ধে তদন্ত

বরগুনা

বরগুনা-০২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচনি তদন্ত কমিটি। বুধবার বরগুনা-০১ ও ০২ আসনের নির্বাচনি তদন্ত কমিটি এ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের নেতৃত্ব দেন বরিশালের যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ ও নির্বাচনি তদন্ত কমিটির বিচারক মো. মাসুম বিল্লাহ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বরগুনা জেলার সহকারী জজ সঞ্জয় পাল।

১৭ ডিসেম্বর সোমবার বরগুনা-০২ (বামনা-বেতাগী-পাথরঘাটা) আসন পাথরঘাটা উপজেলার মুন্সিগঞ্জ বাজারে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম সরোয়ার হিরুর পোস্টার ও ব্যানার ছিড়ে ফেলে এমপি রিমনের সমর্থকরা। এ ঘটনায় গোলাম সরোয়ার হিরুর নির্বাচনি সমন্বকারী আবুল কালাম নির্বাচনি তদন্ত কমিটির কাছে আচরণবিধি লঙ্গন ও পোস্টার-ব্যানার ছিড়ে ফেলার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

তদন্ত কমিটি বরগুনা-২ আসনের পাথরঘাটা এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, বরগুনা-২ (বামনা-বেতাগী-পাথরঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গোলাম সরোয়ার হিরুর নির্বাচনি পোস্টার ছেড়া ও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়েছে।

এবিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম সরোয়ার হিরু বলেন,‘বর্তমান এমপি রিমনের লোকজন আমার পোস্টার ছিড়েছে এবং নির্বাচরনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে এ বিষয় আমারা নির্বাচন সমন্বয়কারী আবুল কালাম ও নির্বাচনি তদন্ত কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। বিষয়টি তারা তদন্ত করেছে এখন শুধু বিচারের অপেক্ষা।

এবিষয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শওকত হাচানুর রহমান রিমন বলেন, পোস্টার ছেড়া আর আচরণবিধি লঙ্ঘন এমন অভিযোগ ভুয়া-বানোয়াট। তারা আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করছেন।

এবিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দিলিপ কুমার হাওলাদার বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্গনের সব অভিযোগ এই কমিটি তদন্ত করবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।