ধর্ষণের অভিযোগে আটক দুই ছাত্র হলো গৌরনদীর শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র গাইবান্ধার বাসিন্দা সাইফুল রহমান ও একই সেমিস্টারের ছাত্র শেরপুরের বাসিন্দা সরোয়ার হোসেন। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীর প্রেমিক ও মামলার প্রধান আসামি শাওন পলাতক রয়েছে। সে ওই কলেজের একই সেমিস্টারের ছাত্র ও পটুয়াখালীর বাসিন্দা।
জানা গেছে, মোবাইল ফোনে ওই ছাত্রীর সঙ্গে শাওনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তাদের সাক্ষাৎও হয়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি শাওন তার প্রেমিকাকে ফোন করে উপজেলা সদরের জান্নাত মঞ্জিলের ভাড়া বাসায় আসতে বলে। ওই বাসার একটি ফ্ল্যাটে ধর্ষণকারীরা একসঙ্গে বসবাস করতো। ওই বাসায় আসার পর ওই ছাত্রীকে তারা তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। এ সময় তারা ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি ও ১২ ফেব্রুয়ারি একইভাবে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জান্নাত মঞ্জিলের মালিক জানতে পেরে তিন ধর্ষককে বাসা থেকে নামিয়ে দেন। এরপর তারা উপজেলার নাঠৈ এলাকায় বাসা ভাড়া নেয়। রবিবার রাতে ওই কিশোরী ধর্ষণের কথা জানানোর পর গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ নাঠৈ থেকে ওই দুজনকে আটক করে। বিষয়টি টের পেয়ে মামলার প্রধান আসামি শাওন পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে গৌরনদী থানার ওসি সরোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় আটকদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক শাওনকে আটকের চেষ্টা চলছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ছাত্রীকে শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।