সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, রাজাপুর ফাজিল মাদ্রাসার পেছনের ৫৮ শতাংশ জমি জালিয়াতি করে এক ব্যক্তির নামে ১৯৭৪-৭৫ সালে ভুয়া মিউটেশন তৈরি করে এস বহিতে লিপিবদ্ধ করে ভূমি অফিসের জারিকারক রাসেল মল্লিক। এ মিউটেশন অনুযায়ী ওই জমি বিক্রির জন্য বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি হয়। জালিয়াতির বিষয়টি ইউএনও এবং রাজাপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান শাহরিয়ারের নজরে আনা হয়। পরে ইউএনওর নির্দেশে উপজেলা টেকনিশিয়ান হাসিব খান রাসেলকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পিটুনি দেন।
এ ঘটনার পর থেকে রাসেল আত্মগোপনে রয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করে ফোন বন্ধ করে রেখেছেন।
এ ব্যাপারে হাসিব খান বলেন, ‘আমি যা করেছি, ইউএনওর নির্দেশে করেছি।’
এ বিষয়ে জানতে ইউএনও’র মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক জোহর আলী জানান, ঘটনা শুনে অফিসে এসে উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।