মাহফুজ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের পশ্চিম বকশিচর ৫নং ওয়ার্ডের আবুল কালাম ঢালীর ছেলে। সে মোহনগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন মাহফুজের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রবিবার সকালে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলো একই এলাকার এবায়দুল হকের ছেলে তামিম ও আবুল বাশার বেপারীর ছেলে বাপ্পি বেপারী। এরা একই স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র।
মাহফুজ জানায়, স্লুইসগেট এলাকার অজুফার চায়ের দোকান থেকে তামিম ও বাপ্পি তাকে মিজানের দোকানের পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে মোবাইল কেনা বাবদ তার কাছ থেকে পাওনা তিনশ’ টাকা চায় তামিম। এ নিয়ে তামিমের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তামিম দোকান থেকে কেরোসিন এনে তার গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়।
মাহফুজের বাবা আবুল কালাম ঢালী অভিযোগ করে বলেন, তামিমের কাছ থেকে ৬০০ টাকায় একটি পুরাতন মোবাইল সেট কিনে নগদ ৩০০ টাকা দেয় আমার ছেলে। বাকি ৩০০ টাকা দিতে দেরি করায় তামিম ও বাপ্পি পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়।
শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. এমএ আজাদ বলেন, মাহফুজের শরীরের ২৩ ভাগ পুড়ে গেছে। একই সঙ্গে পুড়েছে তার শ্বাসনালীর অংশবিশেষ। এ অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর পরপরই তাকে ঢাকায় নিয়ে যায় স্বজনরা।
পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।