দুই লঞ্চের সংঘর্ষ: বিআইডব্লিউটিএ’র তদন্ত কমিটি গঠিত

কীর্তনখোলা ও ফারহান লঞ্চের সংঘর্ষ ঘটে

বরিশাল-ঢাকা রুটের মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিআইডব্লিউটিএ। বিআইডব্লিউটিএ সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক (বন্দর) সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার এ কথা জানান।

দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। ‍নিহতরা হলেন, বরিশালের বাকেরগঞ্জ ‍উপজেলার গারুলিয়ার মাইক্রো চালক রুবেল খানের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মাহমুদা বেগম ও তার ছয় বছরের শিশু কন্যা মাহিন।

বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকে ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও তদন্ত কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশের কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করতে বলা হয়েছে।’

রবিবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে চাঁদপুর সংলগ্ন মেঘনার মাঝ কাজীর চর পয়েন্টে ঢাকা থেকে ভান্ডারিয়াগামী এমভি ফারহান-৯ বরিশাল থেকে ঢাকাগামী এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ডানপাশে আঘাত করে।  এতে কীর্তনখোলা লঞ্চের যাত্রী অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যা নিহত হয়।  দুর্ঘটনায় কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের দ্বিতীয় তলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়। দুর্ঘটনায় কীর্তনখোলার তিন জন এবং ফারহান এর ৫ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে কীর্তনখোলা লঞ্চের ৩ জনকে রাতেই চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনায় লঞ্চ দুটির ক্ষতি হলেও কীর্তনখোলা-১০ সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় ঢাকার সদরঘাটে এবং ফারহান-৯ দুপুরে ভান্ডারিয়ায় পৌঁছেছে।