সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন জানান, কোয়ারেনটাইনে রাখা ইতালি প্রবাসীরা মিলান থেকে বিমানে করে ২ মার্চ ঢাকায় আসেন। এরপর বিমানবন্দর হয়ে তারা বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় নিজ বাড়িতে পৌঁছান। সেখানে তারা ১০ মার্চের আগ পর্যন্ত অন্য মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক চলাফেরা করেন। স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠকর্মীরা তাদের সন্ধান পাওয়ার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমকর্তাকে বিষয়টি জানান। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ১০ মার্চ থেকে তাদের ওই চার জনকে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন করেন। উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, আতঙ্ক ও নিরাপত্তার কারণে ওই চার জনের পরিচয় এবং বাড়ির ঠিকানা প্রকাশ করেননি সিভিল সার্জন।
অপরদিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের বর্ধিত নতুন বহুতল ভবনে পৃথক করোনা ইউনিট আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই ওয়ার্ডে কোনও রোগী ভর্তি না হলেও স্থাপন করা হয়েছে ভেল্টিলেটিং মেশিনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। জরুরি ভিত্তিতে ওই ওয়ার্ডের জন্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১০ জনের একদল নার্স। হাসপাতালে আপাতত মাত্র ৫ শয্যার করোনা ইউনিট প্রস্তুত রাখা হলেও রোগী বাড়লে আড়াইশ’ শয্যা করার স্থান রয়েছে সেখানে।
এছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে বেসরকারি সাউথ অ্যাপোলো হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই হাসপাতালে ৩শ’ বেড প্রস্তুত। তবে আজ পর্যন্ত সেখানেও কোনও রোগী ভর্তি হয়নি বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল।