তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন। তিনি বলেন, ৯ মে করোনার উপসর্গ নিয়ে আসা ওই গৃহবধূকে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রবিবার ওই রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। ১০ মে রাতে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরও অসুস্থ থাকার কারণে তাকে আইসোলেশন রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। দু’দিন আগে ওই রোগীর পেটে ব্যথা ও পেট ফুলতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার বিকালে থেকে তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে রাত সোয়া ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ওই নারীর স্বজনদের অভিযোগ, ২০১৮ সালে সন্তান প্রসবের পর থেকে ওই গৃহবধূর খিচুনি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। ৯ মে তাকে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে জরুরি বিভাগ থেকে উপসর্গ ভালভাবে না শুনেই করোনা ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। ১০ মে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও গৃহবধূকে করোনা ওয়ার্ডে রাখা হলেও সেখানে সঠিক চিকিৎসা না দেওয়ায় তিনি মারা যান।