জেলা প্রশাসক বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত মাইকিং করে জনগণকে সতর্ক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিরা এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন।
সভায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আঘাত হানার আগেই দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষকে নিরাপদে জেলার ৩১৪টি বিশেষায়িত সাইক্লোন শেল্টার এবং ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। করোনার কারণে প্রতিটি সাইক্লোন শেল্টারে শারীরিক দূরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার জন্য সভায় সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সাইক্লোন শেল্টারগুলো টয়লেট-বাথরুমসহ ব্যবহার উপযোগী করা, বিদ্যুৎ না থাকাকালীন আলোর ব্যবস্থা ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত ত্রাণসহ শিশু খাদ্যের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়। করোনার কারণে বর্তমানে প্রচুর ত্রাণ মজুদ রয়েছে বলেও আশ্বস্ত করা হয় সভায়।
এদিকে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয়গ্রহণকালীন জনগণের সম্পদের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় সেদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়।
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রাশসক এসএম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে সভায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।