এদিকে মনপুরা থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, মনপুরার বিভিন্ন চরের লোকজনদের নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ভোলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১১'শ চারটি সাইক্লোন শেল্টার খুলে দেওয়ার পাশাপাশি ৯২টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ ও কোস্ট গার্ড এ সকল মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে সহায়তা করা হচ্ছে।
একইসঙ্গে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ৪০০টিসহ সর্বমোট ১১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে।
ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘূর্ণিঝড়ে সবাইকে সতর্ক করার পাশাপাশি নিরাপদে আসতে সিপিপি ও রেডক্রিসেন্টের ১০ হাজার ২০০ স্বেচ্ছাসেবী কাজ করেছে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা ছাড়াও নগদ টাকা, শুকনো খাবার ও শিশু খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আগে, ঘূর্ণিঝড়কালীন সময় ও ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী এ তিনটি ধাপেই কাজ করার জন্য সকল প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন।