পিরোজপুরের প্রাণিসম্পদ অফিসগুলোয় লোকবলের সংকট

 

লোকবল সংকটে পিরোজপুর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়গুলোর অবস্থা বেশ নাজুক হয়ে পড়েছে। এই সংকট নতুন নয়, দীর্ঘদিনের। স্বল্প সংখ্যক লোকবল দিয়ে চলছে প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্য সেবা। অথচ চাহিদার দ্বিগুণ ডিম উৎপাদন হয় পিরোজপুরে। ডেইরিতেও ভালো এই জেলা, বিশেষ করে গরু মোটা-তাজাকরণে।

পিরোজপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন ভূইয়া জানান, পিরোজপুর সদরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও একজন ভেটেরেনারি সার্জন থাকার কথা থাকলেও আছেন শুধু একজন কর্মকর্তা। নাজিরপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরেনারি সার্জন এই দুজনের পদই শূন্য। ইন্দুরকানীতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও একজন ভেটেরেনারি সার্জনের মধ্যে শুধু ভেটেরেনারি সার্জন আছে। কাউখালীতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তা নাই ও একজন ভেটেরেনারি সার্জন থাকলেও তিনি গত বছরের অক্টোবরে ৬ মাসের প্রশিক্ষণে চলে গেছেন। ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাই ও একজন ভেটেরেনারি সার্জন আছেন। মঠবাড়িয়া উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাই ও একজন ভেটেরেনারি সার্জন আছেন।

নেছারাবাদ উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাই ও একজন ভেটেরেনারি সার্জন আছেন। তিনিও ৬ মাসের প্রশিক্ষণে চলে গেছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন থেকে ঢাকায় প্রেশনে আছেন। তার নাম ডা. রাবেয়া খাতুন। তার বেতন হয় পিরোজপুর থেকে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, 'আমি অফিসের বাহিরে থাকলে অফিসে যদি কেউ আসে, তার সঙ্গে কথা বলার জন্য (কর্মকর্তা পর্যায়ের) কেউ অবশিষ্ট থাকে না আর।'

পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির লোকবলেরও সংকট রয়েছে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়ে অফিসের অনেক কাজ করানো হচ্ছে।