মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সামনে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন, মা আনোয়ারা বেগম ও ভাই আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সিআইডির মাধ্যমে মামলার তদন্তে এবং যে ডিএনএ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট। ডিএনএ রিপোর্টে তিন জন তনুকে ধর্ষণ করেছে বলে আলামত পাওয়া গেছে। এই খবরে মনে হচ্ছে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।
আরও পড়ুন- তনুর কাপড়ে ধর্ষণের আলামত, অভিযুক্ত তিন পুরুষ
তারা আরও বলেন, পুরো দেশবাসী এ বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। আশা করি সিআইডি শিগগিরই ঘাতকদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনবে। এদিকে এই ডিএনএ প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না এ বিতর্কের অবসান হচ্ছে।
গত ২০ মার্চ সোহাগী জাহান তনুকে হত্যা করে কুমিল্লা সেনানিবাসের বাসার পাশের একটি জঙ্গলে ফেলে দেয় ঘাতকরা। পুলিশ, ডিবির পর বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গত ৩০ মার্চ তনুর মরদেহের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গত ৪ এপ্রিল কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ থেকে দেওয়া প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তনুকে হত্যা এবং ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়।
/এফএস/