যানজট নিরসন ও ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতাদের সুবিধার্থে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ কমিশনার বলেন, রোজায় ফুটপাতে কোনও দোকান থাকতে পারবে না। কারণ এতে ক্রেতাদের মার্কেটে ঢুকতে বিপত্তির মধ্যে পড়তে হবে, সৃষ্টি হবে যানজট। এছাড়া সড়কের যেসব জায়গায় ফুটপাতে দোকানের কারণে যানজট সৃষ্টি হয় তাও তুলে দেওয়া হবে রমজান মাসের শুরুতে।
তিনি বলেন, আমি ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের পেটে লাথি মারতে চাই না। কিন্তু ৫০ কিংবা ১০০ জন মানুষের উপকার করতে গিয়ে আমি ৫০ হাজার মানুষের ক্ষতি করতে পারি না। এ নিয়ে মানবিকতার কোনও প্রশ্ন থাকতে পারে না।
এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ী নেতাদেরকে প্রতিটি মার্কেটে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও মার্কেট কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানান কমিশনার। পাশাপাশি রমজানে সবকটি বড় মার্কেটে পুলিশি প্রহরা থাকবে এবং মহিলা ছিনতাইকারীর তৎপরতা প্রতিরোধে মহিলা পুলিশ মোতায়েন থাকবে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) দেবদাস ভট্টাচার্য্য, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ-উল-হাসান, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) হারুন-উর-রশিদ হাজারি, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) ফারুক আহমেদসহ প্রমুখ।
সভায় ব্যবসায়ী নেতারা তাদের সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, মো. আবুল কাসেম, মো. ছগির, মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, সৈয়দ ছগির আহমেদসহ জেলার ব্যবসায়ী নেতারা।
আরও পড়ুন: স্বর্ণ চোরাচালানের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন চট্টগ্রামে
/এমও/টিএন/