ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্র মো. ইমরান বলেন, ‘বাপ্পীকে যে অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম চালু করার আন্দোলন, প্রধানমন্ত্রীর জম্মদিন পালন এবং জাতির জনকের শোক দিবসসহ স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য আন্দোলন করার জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাপ্পীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা না হলে আমরা অনশনে যাবো।’
শামসুজ্জামান বাপ্পি বলেন, ‘২০১৫ সালের শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর জন্য আমি ও আমার বন্ধুরা আন্দোলন শুরু করেছিলাম। সেই আন্দোলনের ফলে একই বছরে শেষ দিকে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়। শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াসহ জাতির জনকের শোক দিবস পালন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জম্মদিন পালনের জন্য আমাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনের সব অনিয়ম নিয়ে কথা বলায় বিশ্ববিদ্যালয় সামান্য অভিযোগে আমাকে বহিষ্কার করেছে। ’
এ ব্যাপারে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা বলেন, ‘আমি বতর্মানে চট্টগ্রাম অবস্থান করছি। এ বিষয়ে আমি অবগত না। ’
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল কমিটি ছাত্রবাসের নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কারণ দর্শানো নেটিশ দেয় শামসুজ্জামানি বাপ্পিকে। ২৭ ফেব্রুয়ারি এক নোটিশের মাধ্যমে বাপ্পিকে বহিস্কার এবং ১ মার্চ হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে প্রশাসনের অনুরোধে পুলিশ গিয়ে তাকে হল থেকে বের করে দেয়। তখন তার সহপাঠিরা সবাই হল ছেড়ে রাস্তার নেমে আসে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে শুরু হওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম চলছে শহরের শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি ক্লাস রুমে। ওই স্কুলেরই একটি শিক্ষক কোয়ার্টারকে অস্থায়ী ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
/জেবি/এমডিপি/