জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্কুলগামী শিক্ষক-শিক্ষার্থী অভিভাবক ও অফিসগামী নগরবাসী। জলাবদ্ধতায় কিছু কিছু এলাকায় যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। এত সামান্য পথ অতিক্রম করতে নগরবাসীকে ঘণ্টার বেশি সময় পার করতে হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের ডিউটি অফিসার বিশ্বজিৎ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সর্বমোট ২২৫ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আরও দুয়েকদিন থাকতে পারে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার সকালে বৃষ্টিতে নগরীর মুরাদপুর, ২নং গেইট, হামজারবাগ, মোহাম্মদপুর, শুলকবহর, চকবাজার, বাদুরতলা, হালিশহর, আগ্রাবাদ কে ব্লক, কাপাসগোলা, বাকলিয়া এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিতে এসব এলাকার কিছু কিছু জায়গায় হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে মুরাদপুর, চকবাজার ও হালিশহর এলাকায় সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় এসব এলাকায় গাড়ি বিকল হয়ে সড়কে আটকা পড়ে। পর্যাপ্ত গাড়ি না থাকায় এ সময় অনেকে ভ্যান গাড়ি, রিকশায় করে সড়ক পার হয়েছেন। অনেককে কোমর পরিমাণ পানি ডিঙিয়ে পরনের কাপড়চোপড় ভিজিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে।
বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন বলেন, আমার মেয়ে নগরীর বাওয়া স্কুলে পড়ে। আজ গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস থাকার পরও বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে তাকে স্কুলে দিয়ে আসতে পারিনি। জলাবদ্ধতার জন্য তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অপরিকল্পিত নালা-খাল খননকে দায়ী করেছেন।
হালিশহর এলাকার বাসিন্দা প্রাইভেটকার চালক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন জানান, বুধবার সকালের বৃষ্টিতে ওই এলাকার বাসা-বাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে সকালে গাড়ি বের করতে পারেননি।
ছবি: রবিন চৌধুরী
/বিএল/