এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘২৫ আগস্টের পর ছয় লাখ ২৬ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বনায়ন এবং সামগ্রিক পরিবেশের উন্নয়নেও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করা এনজিওগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে এনজিও প্রতিনিধিরা সাংবাদিকদের জানান, মিয়ানমার থেকে প্রবেশ করা নির্যাতিত নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করছেন তারা। বাংলাদেশ সরকার যতদিন চাইবে ততদিন রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিয়ে যাবে বিদেশি এনজিওগুলো। তাছাড়া স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণকেও মানবিক সহায়তার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।