সভায় আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, জনসভায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়ে ৫শ’ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। সকাল ১১টার পর থেকে জনসভায় প্রবেশের চারটি গেট খুলে দেওয়া হবে। সমাবেশে কেউ ভ্যানিটি ব্যাগ আনতে পারবে না। নেতাকর্মীরা মাঠে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। তবে সভা মঞ্চে এমপি, কেন্দ্রীয় নেতা এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া কেউ মোবাইল ব্যবহার করতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ জনসভাস্থল ত্যাগ করতে পারবে না। তাছাড়া জনসভায় কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা জানিয়েছেন, মঞ্চ এবং মঞ্চের কাছাকাছি যেসব ভিআইপি থাকবেন তারাও মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না।
সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল প্রমুখ। এছাড়াও জনসভার সর্বশেষ প্রস্তুতির খোঁজ নেন সাবেক মন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর এমপি, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমসহ দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
চাঁদপুর সফরে এসে রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী হাইমচরের চরভাঙ্গা এলাকার মেঘনাপাড়ে স্কাউটস-এর ষষ্ঠ জাতীয় কমডেকা সম্মেলন উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি চাঁদপুর শহরের স্টেডিয়াম মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এ সফরে চাঁদপুরে ৪৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে ২৪টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ২৩টি উদ্বোধন করবেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে চার নেতার ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে আছে চাঁদপুর