বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘আসন্ন বর্ষাকাল ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরসহ সব উপজেলায় পাহাড়ের ওপর ও পাহাড়ের পাদদেশে অবৈধভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসরত পরিবার, অবস্থিত স্থাপনা অপসারণের বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে সরকারের গঠিত পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে জেলা প্রশাসন পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামীকাল (১১ এপ্রিল) উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। ওইসব এলাকায় ইতোমধ্যে মাইকিং শুরু হয়েছে। গতকাল থেকে মাইকিং শুরু হয়েছে। আজও বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।’
এর আগে পাহাড়ের অবৈধভাবে বসবাসরতদের আগামী বর্ষার আগে সরিয়ে নেওয়ার জন্য গত ৮ জানুয়ারি ও সর্বশেষ ২১ মার্চ দুই দফায় পাহাড়গুলো যেসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন রয়েছেন তাদেরকে চিঠি পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি গত ৪ এপ্রিল ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে অবৈধভাবে বসবাসরতদের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির মহাব্যবস্থাপকের (বিপণন) কাছে চিঠি দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিয়াউল হক মীর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসন থেকে আমাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমরা কাল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো। প্রথম দিন নগরীর খুলশী থানাধীন মতিঝর্ণা, বাটালী হিল ও একে খান পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাহাড়গুলো যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মালিকাধীন রয়েছে জেলা প্রশাসন থেকে চিঠি দিয়ে তাদেরকে জানানো হয়েছে। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।’