পিবিসিপির সভাপতি বলেন, পাঁচটি দাবিতে আমরা এই হরতালের ডাক দিয়েছি।’
দাবিগুলো হলো- শুক্রবার (৪ মে) মাইক্রোবাস চালক মো. সজিব হত্যার সুষ্ঠু বিচার। পার্বত্য চট্টগ্রামের সব সন্ত্রাসী সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। ১৬ এপ্রিল পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত চার কাঠ ব্যবসায়ীর মুক্তি। পাহাড়ে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপন এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কার্যক্রম চালু করা।
আরও পড়ুন: ‘বিএনপি কোটা আন্দোলনে সফল হয়নি, এখন পাহাড়ে ঢুকেছে’
পাহাড়ের জনগণ শান্তিতে নেই উল্লেখ করে পিবিসিপির সভাপতি আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ লোক আজ আতঙ্কিত, ভীত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।’ খাগড়াছড়ি জেলার জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ আইনশৃংখলা রক্ষার কার্যক্রমে নিয়োজিত সব সংস্থার প্রতি তিনি অনুরোধ জানান।
পিবিসিপির বিভিন্ন দাবির বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম ও জেলা পুলিশ সুপার আলী আহম্মদ খান বলেন, ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শান্তি ও উন্নয়নের জন্য কাজ করছে সব সংস্থা। পিবিসিপির দাবির বিষয়গুলো সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হবে। তবে পিবিসিপির নেতাদেরকেও মনে রাখতে হবে জনগণকে কষ্ট দিয়ে আন্দোলন বা দাবি সফল করা যায় না।’
হরতাল আহ্বানকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সবাইকে ধৈর্য্য ধারণ করার এবং প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বানও জানান।