ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাজানো হয়েছে নানা আকর্ষণীয় সাজে। হোটেল-মোটেলে পরিবর্তন করা হচ্ছে পুরনো জিনিসপত্রের। সৈকতের চেয়ারগুলোয় আঁচড় পড়েছে নতুন রঙতুলির। রেস্তোঁরাগুলো ধোয়ামোছা শেষে রঙ লাগানোর কাজও শেষ।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিবছর ঈদের ছুটিসহ নানা ছুটিতে ব্যাপক সংখ্যক পর্যটকের ভিড় হয় কক্সবাজারে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বৃষ্টির মৌসুম হলেও ইতোমধ্যে অগ্রিম বুকিংয়ের জন্য ব্যাপক সাড়া পড়েছে। এ কারণে ভিন্ন আঙ্গিকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারে আসা পর্যটকদের সেবা দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারের হোটেল লং বিচ-এর হেড অব অপারেশন মোহাম্মদ তারেক বলেন, ‘এবারের মৌসুমটা বৃষ্টির দখলে। এরপরও ঈদে পর্যটকদের ভ্রমণ বেশ ভালো হবে। আমাদের হোটেলের প্রায় সব রুম বুকিং হয়ে গেছে।’
কক্সবাজারের আরেকটি হোটেল সী-গার্ল। হোটেলটির ম্যানেজার নূর-এ আলম মিথুন বলেন, ‘এবারের ঈদে আমাদের হোটেলের প্রায় সব রুম বুকিং শেষ হয়ে গেছে। পর্যটকের জন্য প্রস্তুতি হিসাবে হোটেলকে নতুন করে সাজানো হয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারও পর্যটকদের জন্য মাল্টি কুইজিং, বুফে ডিনারসহ নানা সুযোগ-সুবিধা থাকছে। আশা করা হচ্ছে, পরিস্থিতি ভালো থাকলে হোটেল ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট পর্যটন ব্যবসায়ীদের ব্যবসা ভালো হবে।’
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে এবার আশা করছি বিপুল পরিমাণ পর্যটক আসবে। তাদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। সৈকত এলাকায় শতাধিক পোশাকধারী পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ছিনতাই প্রতিরোধে টহল পুলিশ ও সাদা পোষাকে পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। কন্ট্রোল রুম, পর্যবেক্ষণ টাওয়াসহ পুরো সৈকতে পুলিশের নজরদারি থাকবে।’
ছবি: প্রতিনিধি