শাকিল জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উজিরপুর গ্রামের আতর ইসলামের ছেলে। পাশের মিয়ারবাজার কলেজ গেটের সামনে ওই যুবকের আল-আমিন ফ্যাশন হাউস নামে একটি জামাকাপড়ের দোকান রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জুপুয়া গ্রামের এক তরুণীর মিয়ারবাজার ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়াশুনা করার সময় সাইফুল ইসলাম শাকিলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বর্তমানে ওই তরুণী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে অনার্স তৃতীয়বর্ষ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি ওই ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে দোকানের পেছনে ধর্ষণ করে শাকিল। এরপর ওই ছাত্রী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে শুরু করে। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে একটি প্রভাবশালীচক্র ঘটনাটি সমাধানের নামে তাদের হয়রানি করতে থাকে। সর্বশেষ এ ঘটনায় ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে শাকিলকে আসামি করে কুমিল্লার আদালতে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ‘আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশকে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু থানা পুলিশ যথাযথ তদন্ত না করে উল্টো আসামির সঙ্গে আঁতাত করে আদালতে মনগড়া একটি মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছে। এছাড়া পুলিশ মামলার বাদীকে হয়রানি করছে। গত ১০ মে আদালতে আমরা পুলিশের দেওয়া ওই মিথ্যা প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেছে। পরে আদালত আমাদের আবেদন গ্রহণ করে আসামির নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এরপর আসামি সাইফুল ইসলাম শাকিল উচ্চ আদালত থেকে জামিনে নিয়ে আসে। সর্বশেষ মঙ্গলবার উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিনের মেয়াদ শেষ হলে সে কুমিল্লার নারী ও শিশু আদালতে হাজির হয়ে ফের জামিনের আবেদন করে। কিন্তু আদালত জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।