শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) নোয়াখালী সদর উপজেলার ভাটিরটেক চৌমুহনী বাজার এলাকায় ড. বশির আহমেদ কলেজের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কলেজের গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, নবীনবরণ ও কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করা হয়।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘শিক্ষা মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটায়। জ্ঞানের পরিধিকে বাড়িয়ে দেয়। মানুষকে সচেতন করায় তার দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে। আর স্কুল-কলেজ হচ্ছে জ্ঞান-অন্বেষনের আলোকবর্তিকা। শিক্ষকরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। তাদের গভীর জ্ঞান, আদর্শ ও জীবনযাত্রা শিক্ষার্থীদের জন্য রোল মডেল। শিক্ষা জীবনের শুরুতে একজন শিক্ষার্থী যদি ব্যক্তিগত ও পারিপার্শ্বিক পরিচ্ছন্নতা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, কর্মনৈপুণ্য ও পারস্পরিক সহমর্মিতা বোধ নিয়ে বেড়ে ওঠে— সে শিক্ষার্থী হয়ে উঠতে পারে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়ার কারিগর।’ তিনি গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘কলেজ জীবনের এই সংক্ষিপ্ত সময়ের পারদর্শিতার ওপর নির্ভর করবে আগামী দিনের পথ চলা। তোমরা প্রকৃত মানুষ হতে পারলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।’
কলেজ অধ্যক্ষ ব্যারিস্টার শাহীন মিরাজ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিচারপতি আশরাফুল কামাল, অ্যাডভোকেট আহমেদ উল্যা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার, সংসদ সদস্য হোসনে আরা বেগম (বাবলি), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলিয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.এম অহিদুজ্জামান, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর ড. প্রফেসর আবদুল হান্নান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বাবু সত্যজিৎ কর্মকার, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. বশির আহমেদ ও নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খাঁন সোহেল প্রমুখ।