মাশকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে রাতে জোরারগঞ্জ এলাকায় অভিযানে যায় র্যাব। রাত ৩টা থেকে র্যাব সদস্যরা ওই জঙ্গি আস্তানা ঘিরে রাখে। এসময় আধাঘণ্টার মতো বন্দুকযুদ্ধ হয়। এরপর বাসাটির ভেতরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘরের টিন উড়ে গেছে। ভেতরে যারা ছিল তারাই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। হতাহত কেউ হয়ছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট আসার পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, ওই বাসার নাম- চৌধুরী ম্যানশন। সেমিপাকা বাসাটি টিন শেড। এক অসুস্থ নারীর থাকার কথা বলে গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাসাটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। তবে যারা ভাড়া নিয়েছিল তাদের কারও কাছ থেকে ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি নেওয়া হয়নি বলে ওই বাসার কেয়ারটেকার জানিয়েছেন।
ওই আস্তানায় কতজন জঙ্গি থাকতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কতজন আছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে তিন থেকে চার জন জঙ্গি থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।’