টেকনাফে স্কুল কর্মচারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

 

টেকনাফকক্সবাজারের টেকনাফে উপজেলায় এক স্কুল কর্মচারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম আব্দুর রশিদ (৩৭)। বৃহস্পতিবার (১৮অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে টেকনাফের ঊনছিপ্রাংয়ের খালের তীরে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) লেখা বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুর রশিদ হোয়াইক্যংয়ের দৈংগ্যাকাটার জাফর আলমের ছেলে। তিনি হোয়াইক্যং আলহাজ আলী আছিয়া-স্কুলের দফতরি ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে টেকনাফের ঊনছিপ্রাংয়ের খালের তীরে একটি বস্তা দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। এরপর হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির (আইসি) এসআই সুব্রত রায়ের নেতৃত্বে একটি দল ওই খালের কাঁদামাটি থেকে বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করে। পরে লাশটি পরিবার শনাক্ত করে। এর আগে গত ১৫ অক্টোবর আব্দুর রশিদ নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি জিডি করেন পরিবার।

এ প্রসঙ্গে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির (আইসি) এসআই সুব্রত রায় বলেন, ‘আইওএম লেখা একটি বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যাক্তিকে গলাকেটে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া তার ডান পায়ের রগ কাটা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত রশিদ কয়েকদিন আগে নিখোঁজ হন বলে পরিবার পক্ষ থেকে জানানো হয়।

আলহাজ্ব আলী-আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল চৌধুরী ওরফে মুসা বলেন, ‘রশিদ তার স্কুলে স্টাফ হিসেবে খুব ভালো ছিল। তার চার সন্তান রয়েছে। এই ধরনের নির্মম হত্যাকারীদের আইনের আত্ততায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, স্কুল কর্মচারীর লাশ যে বস্তায় ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেই বস্তাগুলো মুলত (আইওএম) সংস্থা রোহিঙ্গাদের দিয়ে থাকে। তার ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রোহিঙ্গারা জড়িত থাকতে পারে।’

জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘বস্তাবন্দি এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রশিদ নিখোঁজ হওয়ার পরপরই পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোজঁ করছিল। তবে মোবাইল বন্ধ থাকার কারণে তার অবস্থান পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’