লাকসামে বিএনপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান লাকসাম পৌরশহর সংলগ্ন নরপাটি বাজারের চা খাচ্ছিলেন। তখন স্থানীয় ছাত্রলীগের ২০/২৫ জনের একটি দল তাকে পিটিয়ে আওয়ামী লীগ অফিসে আটকে রাখে। পরবর্তীতে লাকসাম থানা পুলিশকে খবর দিয়ে আমানকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনার পর গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আবুল কালামকে লাকসাম পৌর সদরের জগন্নাথ বাড়ী এলাকায় যুবলীগ ছাত্রলীগের এক গ্রুপ তাকে আটক করে মারধর করে। এরপর কালামকে লাকসাম বাজারে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে যায় তারা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করে।
আজগড়া ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও ব্যাবসায়ী আব্দুস সালাম, বিএনপি নেতার স্ত্রী উম্মে কুলসুম অভিযোগ করেন, তার বাড়ি সাফিয়া মঞ্জিলে রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালায় ইউপির চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের নেতৃত্বে আবুল মেম্বার, যুবলীগ নেতা সোহাগ, জসীম, ছাত্রলীগ নেতা জামসেদ, বিল্লালসহ ৪৫/৫০ জনের একটি দল হামলা চালিয়। এসময় বাড়িতে ভাঙচুর করে ও লুটপাট করে। তবে ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ বিষয় লাকসাম থানার ওসি মনোজ কুমার দে বলেন, ‘সাবেক ছাত্রদল নেতা আমান এলাকায় মারামারি করছিল। স্থানীয়রা ধরে পুলিশের কাছে দেয়। থানায় এনে রাতে আমরা তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।’ কোনও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা তিনি জানেন না,তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানোন।